1. admin@idealmediabd.com : Sultan Mahmud : Sultan Mahmud
  2. abutalharayhan62@gmail.com : Abu Talha Rayhan : Abu Talha Rayhan
  3. nazimmahmud262@gmail.com : Nazim Mahmud : Nazim Mahmud
  4. tufaelatik@gmail.com : Tufayel Atik : Tufayel Atik
কাউকে খারাপ নামে ডাকা হারাম - ইত্তেহাদ টাইমস
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
৭৫-এ পা রাখলেন শেখ হাসিনা : অকুতোভয় মানসিকতাই যার দেশ গড়ার শক্তি কানাইঘাট দিঘীরপাড় ইউপিতে ভিজিটির চাল বিতরণ কানাইঘাটে ৫শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা : প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন নবির সুন্নাহ দাড়ি কাটায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে তা লে বা ন শেখ হাসিনা একমাত্র চরিত্রবান : ওবায়দুল কাদের সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনা : শিশুসহ নিহত ৩ প্রতিদিন কমলা ও স্ট্রবেরি খাওয়ার উপকারিতা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষ, ৩ সংবাদকর্মীসহ আহত ১৩ আকর্ষণীয় বেতনে গুরুত্বপূর্ণ ৬ পদে শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ দেবে দারুর রাশাদ মাদরাসা মক্তবে যাওয়ার পথে ট্রাকচাপায় মাদ্রাসাছাত্র নিহত

কাউকে খারাপ নামে ডাকা হারাম

নাঈম উদ্দীন
  • প্রকাশটাইম: মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১

কাউকে খারাপ কোন নামে ডাকা হারাম কাজ ও কবীরা গুনাহ্।আল্লাহ্ তা‘আলা সূরা হুজরাতের ১১ নং আয়াতে বলেন,
«وَلَا تَلْمِزُوْا أَنْفُسَكُمْ وَلَا تَنَابَزُوْا بِالْأَلْقَابِ، بِئْسَ الِاسْمُ الْفُسُوْقُ بَعْدَالْإِيْمَانِ، وَمَنْ لَمْ يَتُبْ فَأُوْلَآئِكَ هُمُ الظَّالِمُوْنَ».

‘‘তোমরা অন্য কোন মুসলিম ভাইকে কোন কিছুর অপবাদ দিও না এবং কোন খারাপ নামেও ডেকো না। কারণ, কারোর জন্য ঈমান আনার পর খারাপ উপাধিটি খুবই নিকৃষ্ট। যারা উক্ত অপকর্ম থেকে তাওবা করবে না তারাই তো সত্যিকারার্থে যালিম’’। (হুজরাত -১১)।হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, وَلَا تَنَابَزُوْا بِالْأَلْقَابِ এর দ্বারা কেউ কোনো গুনাহ বা মন্দকাজ করে তওবা করার পরেও তাকে সেই মন্দ নামে ডাকা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেমন—চোর, ব্যভিচারী বা মদখোর বলে সম্বোধন না করা।  যে ব্যক্তি চুরি, ব্যভিচার, মদ ইত্যাদি থেকে তওবা করে নেয়, তাকে অতীত কুকর্ম দ্বারা লজ্জা দেওয়া ও হেয় প্রতিপন্ন করা হারাম।
রাসূল (সা.) বলেন,যে ব্যক্তি কাউকে এমন গুনাহ দ্বারা লজ্জা দেয় যা থেকে সে তওবা করে নিয়েছে, এমন অপবাদকারীকে সেই গুনাহে লিপ্ত করে ইহকাল ও পরকালে লাঞ্চিত করার দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ গ্রহণ করেন। (কুরতুবি)।কোন মানুষকে এমন কোন উপাধিতে ভূষিত করা যা শুনলে তার মনে কষ্ট আসে, তা সকল আলিমের মতেই হারাম। চাই তা সরাসরি তারই ভূষণ হোক অথবা তার পিতা-মাতার। যেমন—কানা, অন্ধ ইত্যাদি অথবা কানার ছেলে, লম্পটের ছেলে ইত্যাদি। কোন কোন নামের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম—কোন কোন লোকের এমন নাম হয়ে যায় যা আসলে মন্দ কিন্তু এই নাম ব্যতীত কেউ তাকে চিনে না। এমতাবস্থায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে হেয় প্রতিপন্ন  বা লাঞ্চিত করার উদ্দেশ্য না থাকলে এ নামে ডাকা জায়েজ। এ ব্যাপারে আলেমগণ একমত। যেমন—কোন কোন মুহাদ্দিসের নামের সাথে احدب-اعرج ইত্যাদি খ্যাত আছে।হযরত রাসূল (সা.) নিজেই অপেক্ষাকৃত লম্বা হাত বিশিষ্ট সাহাবিকে ذل اليدين  নামে পরিচিত করেছেন।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মোবারক (রহ.) কে জিজ্ঞেস করা হল,হাদিসের সনদে কতক নামের সাথে কিছু পদবী যুক্ত হয়; যেমন— سليمان الاعمش-حميد الطويل ইত্যাদি। এসব পদব সহকারে নাম উল্লেখ করা যাবে কি না? উক্তরে তিনি বললেন, দোষ বর্ণনা করার ইচ্ছা না থাকলে এবং পরিচয় পূর্ণ করার ইচ্ছা থাকলে জায়েজ।  (কুরতুবী)।

সর্বোপরি, প্রত্যেক মুসলমানের উচিত কাউকে মন্দ নামে সম্বোধন করা থেকে বিরত থাকা৷ কেননা, মন্দ নামে সম্বোধন করলে ব্যক্তি কষ্ট পায়। আর রাসূল সাঃ বলেছেন, ঐ ব্যক্তি প্রকৃত মুসলিম; যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলিম নিরাপদ। আর যে আল্লাহর নিষিদ্ধ বিষয়গুলো পরিত্যাগ করে, সে-ই প্রকৃত হিজরতকারী৷’ (বুখারি)।

শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ইত্তেহাদুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন-এর একটি প্রতিষ্ঠান copyright 2020: ittehadtimes24.com  
Theme Customized BY MD Maruf Zakir