1. admin@idealmediabd.com : Sultan Mahmud : Sultan Mahmud
  2. abutalharayhan62@gmail.com : Abu Talha Rayhan : Abu Talha Rayhan
  3. nazimmahmud262@gmail.com : Nazim Mahmud : Nazim Mahmud
  4. tufaelatik@gmail.com : Tufayel Atik : Tufayel Atik
চুরির অভিযোগে মাদরাসার খাদেমকে ইউপি সদস্যের মারধর - ইত্তেহাদ টাইমস
সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০২২, ০৪:৫২ অপরাহ্ন

চুরির অভিযোগে মাদরাসার খাদেমকে ইউপি সদস্যের মারধর

টাইমস ডেস্ক
  • প্রকাশটাইম: সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০২২

 চুরির অভিযোগ এনে মাদরাসার খাদেমকে বেঁধে বেদম মারপিট করেছেন ইউপি সদস্য ও তার সহযোগীরা। ইউপি সদস্যের নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি উপজেলার সোহাগদল ইউনিয়ন পরিষদে।

জানা গেছে, শনিবার দুপুরে সোহাগদল ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো.কামরুল ইসলাম খোকন ও তার সহযোগীরা উত্তর পশ্চিম সোহাগদল বায়তুন নূর জামে মসজিদের ইলেকট্রনিক্স মালামাল চুরির অভিযোগ এনে ইন্দেরহাট বন্দর থেকে মো. জহিরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে ধরে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যান।

সেখানে নিয়ে ইউপি সদস্য খোকন ও তার সহযোগীরা জহিরুল ইসলামকে বেঁধে ক্রিকেট স্টাম্প দিয়ে এলোপাতারি পিটাতে থাকেন। এসময় জহিরুল ইসলাম চিৎকার দিয়ে বলতে থাকেন, ‘আমাকে মারেন কেন, আমাকে মারবেন না। আইনের লোক আছে, প্রয়োজনে তাদের হাতে তুলে দিন। আপনারা আমার মোবাইল ও জিনিসপত্র সব নিয়ে গেছেন। আমি অসুস্থ, আমাকে মাইরেন না। ’ একপর্যায়ে খবর পেয়ে নেছারাবাদ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জহিরুল ইসলামকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে ইউপি সদস্য খোকন বাদী হয়ে নেছারাবাদ থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করেন। রবিবার জহিরকে ওই মামলায় পিরোজপুর কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ। সোমবার জহিরকে নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা ব্যাপক ভাইরাল হয়।

জহিরুল ইসলাম পাশ্ববর্তী ঝালকাঠী উপজেলার শেখেরহাট ইউনিয়নের নওয়াপাড়া গ্রামের নুরুল হকের ছেলে। তিনি ঝালকাঠী জেলার নলছিটি হদুয়া বৈশাখিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার একজন খাদেম বলে জানান ওই মাদরাসার অপর খাদেম সাইদুল ইসলাম। জহির এমন কোনো কাজ করতে পারেন না বলে সাইদুলের  দাবি।

ঘটনার বিষয়ে ইউপি সদস্য খোকনের কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকের কাছে জবাব দিতে আমি বাধ্য নয়। ’ আইন নিজের হাতে নিয়ে কাউকে এভাবে নির্যাতন করার বিধান আছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি একজন জনপ্রতিনিধি। আমাকে ইজ্জত দিয়ে কথা বলবেন। ’

সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (নেছারাবাদ সার্কেল) মো. রিয়াজ হোসেন বলেন, ভিডিও দেখেছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারেফ হোসেন বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। কোনো ব্যক্তিকে এভাবে মারার অধিকার কারো নেই। এ ব্যাপারে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে বিস্তারিত জানার জন্য বলা হয়েছে। পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে। ’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ইত্তেহাদুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন-এর একটি প্রতিষ্ঠান copyright 2020: ittehadtimes24.com  
Theme Customized BY MD Maruf Zakir