1. admin@idealmediabd.com : Sultan Mahmud : Sultan Mahmud
  2. abutalharayhan62@gmail.com : Abu Talha Rayhan : Abu Talha Rayhan
  3. nazimmahmud262@gmail.com : Nazim Mahmud : Nazim Mahmud
  4. tufaelatik@gmail.com : Tufayel Atik : Tufayel Atik
চেতনায় কিংবা হৃদয়ের আল্পনায় - ইত্তেহাদ টাইমস
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সংস্থা বাংলাদেশের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত বৃটেনের ইপসুইচে জাতীয় সীরাত কনফারেন্স ২০২১ অনুষ্ঠিত কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে কুরআন অবমাননাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে : হেফাজত ভারতের আসাম রাজ্যে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলো মহানবী (স.)-এর ব্যঙ্গচিত্র আঁকা সেই শিল্পী জোট রাজনীতি সমাপ্তি; কিছু প্রশ্ন : শেখ ফজলুল করীম মারুফ প্রয়োজনে কিংবা অপ্রয়োজনে ক্রেতা হয়ে যান তাদের দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৮ ইউনিয়নে নির্বাচন ১১ নভেম্বর ৭৫-এ পা রাখলেন শেখ হাসিনা : অকুতোভয় মানসিকতাই যার দেশ গড়ার শক্তি কানাইঘাট দিঘীরপাড় ইউপিতে ভিজিটির চাল বিতরণ

চেতনায় কিংবা হৃদয়ের আল্পনায়

ইসমাইল এইচ. নোমান
  • প্রকাশটাইম: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২০

বয়স দশ কিংবা এগারো হবে তখন। ছুটন্ত পেরিয়ে আসার সময়। আমার বেড়ে ওঠার বয়সী জায়গা হলো নানাবাড়ি। এ বাড়িতে প্রতিদিন কয়েকটি দৈনিক পত্রিকা আসতো। একজন পাঠকের জন্যেই আসতো সেগুলো। তিনি হলেন নানাজী (রাহিমাহুল্লাহ)। সেই সুবাদে প্রায়ই লুকিয়ে লুকিয়ে পত্রিকায় চোখ দিতাম। লুকিয়ে এ কারণে যে, নানাজী আমাকে পত্রিকা পড়তে দিতেন না। কেন দিতেন না, সে রহস্যজট আজও উদঘাটন করতে পারিনি! তিনি কাগুজে পত্রিকা কোথাও রেখে গেলে, পেছনের বারান্দায় লুকিয়ে শুধু সমূহ পাতা উল্টাতাম। বয়স যেখানে ছিলো শৈশবের, সেখানে পাতাগুলো উল্টিয়ে দেখাই ছিলো হুড়মুড়ে কাজ। যখন দেখতাম পাতা আর নেই, শৈশবী বালকের মতো যথাস্থানে রেখে আসতাম তখন। মূখ্যবিষয় হলো, পত্রিকার শিরোনাম আর কলামগুলো দেখতাম। ভাবতাম তখন, এতো লেখা মানুষ লিখে কীভাবে! এই লুকিয়ে পড়ার নেশাকে পেশা হিসেবেই নিয়েছিলাম। সুযোগ পেলেই পায়ের সামনে পড়ে থাকা পত্রিকার টুকরো বা থেতলানো অংশটুকু তুলে একবার দেখে নিতাম এবং সবটুকু অংশ বাক্সে রেখে দিতাম সযতনে। বাক্স খুললে এখনও চোখে পড়ে সেই অংশটুকু। তখন কামনায় থাকতো, এভাবে যদি লিখতে পারি, তাহলে শিরোনাম ছোট করে দিয়ে হলেও আরো লিখব, যেনো অপচয় না হয় কাগজের। পাশাপাশি কেউ যেনো লেখা কাগজ বা পত্রিকা নষ্ট না করে সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবো। সেই কামনাটুকু আজও চলমান।

বাড়ির পাশের মাদ্রাসায় যখন পড়তাম। মাহমুদ নামে স্যার ছিলেন একজন। তিনি নানাজীকে দাদা ডাকতেন, তাই আমি ভাই না স্যার ডাকবো সেই দ্বিধাবোধ এখনও অব্যাহত। তিনি বলেছিলেন একদিন ইংরেজি একটি প্রবাদ। “ংড়সবঃযরহম রং নবঃঃবৎ ঃযবহ হড়ঃযরহম”. সহাস্যমুখের অনুবাদ ছিলো,”সামসুদ্দিন বেটার নাতিন”। ইংরেজি বর্ণমালা তখন সবেমাত্র পড়া শুরু। বাক্যটির প্রতি সন্দেহ হলো, ইংরেজি এমন হয় নাকি! শেখার প্রবণতা আরো বেড়ে যায়। রহস্যরজট খোলার জন্যে পেরিয়ে গেলো দুই বা তিনটি বসন্ত। অবশেষে শুদ্ধ অনুবাদ জানলাম এবং বুঝলাম, ভুল থেকেও শুদ্ধের বিকাশ হয়।

হেফজখানায় পড়ার কারণে কতদিন সব বন্ধ ছিলো। অতঃপর হাতেখড়ি শুরু। যখনই কিছু লিখি, এই বাক্যকে সামনে রাখি। এখনও এভাবেই পথচলা। হেফজের পর সমসাময়িক পত্রিকা, ম্যাগাজিন ইত্যাদি পড়া শুরু হয়। তবুও লুকিয়ে পড়ি। কখন জানি কেউ থাবা দিয়ে নিয়ে যায়! বিশেষত: মাসিক পত্রিকা বা ম্যাগাজিনগুলো পড়ি বেশ। পাঠের সংসারেও কতো মানুষ, শব্দের সাথে সাক্ষাৎ হয়েছে বা হচ্ছে তার অন্ত্য নেই! শেখার এবং শেখার অদম্য ইচ্ছে এভাবেই প্রবল হতে লাগলো। হাতভাঙ্গা লেখা কাগজে প্রকাশের মনস্বপ্ন যখন চঞ্চলতা বাড়াচ্ছিল। যখন লেখা শেখার প্রথম অনুভূতি ব্যাক্ত করার সুযোগ খুঁজছিলাম। তখনই অন্য এক সাক্ষাতের প্রারম্ভে কালক্রমে আচমকা পেয়ে গেলাম, একজন উমারা হাবীবকে। তাঁর সাথে সাক্ষাতের সময়টুকু যদিও মৌনভাব বেশি ছিল, তবু বিদায়ের ম‚হূর্তে দেয়া ম্যাগাজিনটি ছিলো সম‚হ মৌনতার উপহারস্বরুপ! বলে গেলেন, ইমেইল দেয়া আছে, লেখা পাঠিয়ে দিও। ম্যাগাজিন হাতে পেয়ে নাম দেখেই বিদ্যুৎ গতিতে নামটি পড়লাম।
‘চেতনা’। একটি নাম এবং ¯েøাগান হলো, ‘মননে চিন্তার বুনন’। নাম আর ¯েøাগানই বলে দেয়, এখানেই আছে ব্যাতিক্রমী চেতনার কতজন মানুষ, কতগুলো কলম। কালবিলম্ব না-করে পড়তে লাগলাম। যতোই সামনে পড়ছি, ততই মনে হচ্ছে বড়দের পাশাপাশি তরুণেরাও এখানে স্বাচ্ছন্দ্যে সংসার করছেন। লেখা কিংবা অনুভূতির সমন্বয়ে সবার জন্যেই সমাদৃত একটি পরিবার।
বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই, ম্যাগাজিনটির সহকারী-সম্পাদক উমারা হাবীব এবং সংশ্লিষ্ট সকল মানুষ ম‚ল্যায়নকারী ব্যাক্তিদের। যাদের চিন্তাশীল মনোভাব প্রতিফলিত হচ্ছে এই চেতনায়। কামনায়, নতুন কলমকে যেভাবে স্বাগত জানাচ্ছে চেতনা। সেভাবে এগিয়ে যাক পুরোনো ভীতির জঞ্জালকণা মাড়িয়ে।

চেতনা হোক আমার এবং আমাদের সুসমৃদ্ধ পথচলায়…

ইসমাইল এইচ. নোমান, দারুল উলূম মাদ্রাসা, মৌলভীবাজার।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ইত্তেহাদুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন-এর একটি প্রতিষ্ঠান copyright 2020: ittehadtimes24.com  
Theme Customized BY MD Maruf Zakir