1. admin@idealmediabd.com : Sultan Mahmud : Sultan Mahmud
  2. abutalharayhan62@gmail.com : Abu Talha Rayhan : Abu Talha Rayhan
  3. nazimmahmud262@gmail.com : Nazim Mahmud : Nazim Mahmud
  4. tufaelatik@gmail.com : Tufayel Atik : Tufayel Atik
দেশে সবচেয়ে বেশি আয়কারী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদ - ইত্তেহাদ টাইমস
শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গোয়াইনঘাট থেকে যুবক নিখোঁজ, সন্ধান চান পরিবার হেফাজত মহাসচিবের ইন্তেকালে মাওলানা মুহাম্মদ ইয়াহইয়া এর গভীর শোক দাবায় সিলেট বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন সুনামগঞ্জের শাহ মাহফুজ আল্লাহর রহমতে ও জাতির সমর্থনে আমরা অর্থনৈতিক যুদ্ধে বিজয়ী হব: এরদোগান দেশে সবচেয়ে বেশি আয়কারী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদ লেঙ্গুড়া ইউপি নির্বাচনে ভোটারদের পছন্দের প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া ছাত্তার দুই সন্তানের জনক আব্দুল আহাদ আর্থিক ও চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর প্রহর গুনছে! ভোটে জিতে তাবলীগ জামাতে গেলেন ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারেরা ভারতে সব মাদরাসা বন্ধ করা হোক : আসামের মুখ্যমন্ত্রী মাত্র ৪ মাসে কুরআন মুখস্থ করল স্কুলছাত্র সাফওয়ান

দেশে সবচেয়ে বেশি আয়কারী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদ

ইত্তেহাদ টাইমস
  • প্রকাশটাইম: বুধবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২১
ছবি: সংগৃহিত

 

ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত মুসলিম ঐতিহ্য সমৃদ্ধ এক জনপদের নাম কিশোরগঞ্জ। একে ঘিরে রয়েছে নানা ইতিহাস।

প্রাচীন ও আধুনিক স্থাপত্যের বিখ্যাত নানা দর্শনীয় স্থান রয়েছে কিশোরগঞ্জে। প্রায় আড়াইশ বছরের পুরনো তারই একটি ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ। শহরের পশ্চিমে পার্শে হারুয়া নামক এলাকায় নরসুন্দা নদীর কোলঘেঁষে গগনচুম্বী মিনারা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে দুই শতাব্দী পুরনো এ মসজিদটি।

প্রথমে হয়বতনগর দেওয়ানবাড়ির ওয়াকফকৃত মসজিদের ভূমির পরিমাণ ছিল ১০ শতাংশ। বর্তমানে এর পরিমাণ তিন একর ৮৮ শতাংশ। মসজিদের ব্যয়ে ২০০২ সালে মসজিদের পাশেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসা।

পাগলা মসজিদের ইমরাতের নির্মাণশৈলী বেশ চমৎকার। তিনতলা বিশিষ্ট মসজিদটির পাঁচতলা সুউচ্চ মিনারটি বহুদূর থেকে সহজেই দৃষ্টি কাড়ে। পাগলা মসজিদের ইমরাত খুবই সুন্দর এবং নির্মাণশৈলীও বেশ চমৎকার। আধুনিক স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত পাগলা মসজিদটি নানা ধরণের ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থাপনা হিসেবে খ্যাত। তবে দেশজুড়ে এর পরিচিতি অন্য কারণে। এর দানবাক্স খুললেই মিলে কোটি টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালঙ্কার।

উইকিপিডিয়ায় বলা হয়েছে পাগলা মসজিদের সঠিক ইতিহাস কারোর জানা নেই। তবে জনশ্রুতি আছে যে, পাগলবেশী এক আধ্যাত্মিক পুরুষ খরস্রোতা নরসুন্দা নদীর মধ্যস্থলে মাদুর পেতে ভেসে এসে বর্তমান মসজিদের কাছে স্থিতু হন এবং তাকে ঘিরে আশেপাশে অনেক ভক্তকূল সমবেত হন। ওই পাগলের মৃত্যুর পর তার সমাধির পাশে পরবর্তীতে এই মসজিদটি গড়ে উঠে। ফলে কালক্রমে মসজিদটি ‘পাগলা মসজিদ’ নামে পরিচিতি পায়।

এ মসজিদে নারীদেরও নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রয়েছে। নারীরা মসজিদের পৃথক স্থানে নামাজ আদায় করেন। প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজে প্রচুর লোক সমাগম হয়। সেদিনই দান খয়রাত বেশি করে লোকজন।
এই মসজিদটি শুধু ইসলাম ধর্মাবলম্বীর কাছে নয়, বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও এর আশেপাশের অঞ্চলে সব ধর্মাবলম্বীর কাছে অত্যন্ত পবিত্র ধর্মীয় স্থান হিসেবে পরিগণিত।

মানুষের বদ্ধমূল বিশ্বাস, যে কেউ একনিষ্ঠ নিয়তে এ মসজিদে কিছু দান-খয়রাত করলে তার ইচ্ছা পূর্ণ হয়। ফলে সাধারণ মানুষ এমন বিশ্বাসের আলোকে পাগলা মসজিদে প্রচুর দান-খয়রাত করে থাকেন। তাই প্রতিমাসে কেবল দানবাক্স থেকেই এ মসজিদের নগদ আয় হয় ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকা। বিদেশি মুদ্রাসহ স্বর্ণালঙ্কারও দান করেন অনেকে। প্রতি তিন-চার মাস পর পর মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়।

প্রতিবারই নগদ মেলে কোটি টাকার ওপরে। এছাড়াও দানবাক্স থেকে বেশ কিছু মার্কিন ডলার, সিঙ্গাপুরি ডলার, সৌদি রিয়াল, মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ও মিয়ানমারের মুদ্রাও পাওয়া যায়। পাগলা মসজিদের টাকা ব্যাংকে জমা করা হয় এবং পরে ব্যয় করা হয় মসজিদের কর্মচারীদের বেতন এবং দুস্থদের সহায়তাসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজে।

সর্ব শেষ কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের সিন্দুক খুলে রেকর্ড পরিমাণ টাকা পাওয়া গেছে। পাওয়া গেছে কিছু সোনা ও হীরাও। ৬ নভেম্বর শনিবার বিকেলে গণনা শেষে ৩ কোটি ৭ লাখ ১৭ হাজার ৫৮৫ টাকা পাওয়া যায়। ৪ মাস ১৭ দিনে মসজিদের ৮টি সিন্দুকে এসব টাকা জমা হয়। যা অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়।

তাছাড়া, প্রতি মাসে প্রায় ১৫০ মণ বাতাসাও বিক্রি করা হয়; যা থেকে আসে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা। দেশের অন্যতম আয়কারী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত মসজিদটিকে সম্প্র্রতি পাগলা মসজিদ ইসলামি কমপ্লেক্স নামকরণ করা হয়েছে। এ মসজিদের আয় দিয়ে কমপ্লেক্সের বিশাল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। -ourislam

 

 

AD/08

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ইত্তেহাদুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন-এর একটি প্রতিষ্ঠান copyright 2020: ittehadtimes24.com  
Theme Customized BY MD Maruf Zakir