1. admin@idealmediabd.com : Sultan Mahmud : Sultan Mahmud
  2. abutalharayhan62@gmail.com : Abu Talha Rayhan : Abu Talha Rayhan
  3. nazimmahmud262@gmail.com : Nazim Mahmud : Nazim Mahmud
  4. tufaelatik@gmail.com : Tufayel Atik : Tufayel Atik
সুখ বিক্রেতা - ইত্তেহাদ টাইমস
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
৭৫-এ পা রাখলেন শেখ হাসিনা : অকুতোভয় মানসিকতাই যার দেশ গড়ার শক্তি কানাইঘাট দিঘীরপাড় ইউপিতে ভিজিটির চাল বিতরণ কানাইঘাটে ৫শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা : প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন নবির সুন্নাহ দাড়ি কাটায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে তা লে বা ন শেখ হাসিনা একমাত্র চরিত্রবান : ওবায়দুল কাদের সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনা : শিশুসহ নিহত ৩ প্রতিদিন কমলা ও স্ট্রবেরি খাওয়ার উপকারিতা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষ, ৩ সংবাদকর্মীসহ আহত ১৩ আকর্ষণীয় বেতনে গুরুত্বপূর্ণ ৬ পদে শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ দেবে দারুর রাশাদ মাদরাসা মক্তবে যাওয়ার পথে ট্রাকচাপায় মাদ্রাসাছাত্র নিহত

সুখ বিক্রেতা

উবাইদুল্লাহ জাফর
  • প্রকাশটাইম: শুক্রবার, ৬ আগস্ট, ২০২১

আজ শুক্রবার। ছুটির দিন। সবাই যার যার মতো ঘুরবে- বেড়াবে। দুপুর গড়ালেই সবাই প্রিয়জনদের সাথে বিভিন্ন জাগায় যাবে। কত কিছু খাবে, কিনবে, নষ্ট করবে তা আর বলার নয়।চয়েন মিয়া খুবই গরীব মানুষ। বেলুন বিক্রি করে খায়। শহরতলীর এক জীর্ণ কুটিরে তাঁর বাস। সে, তাঁর স্ত্রী আর এক ছেলে — এই তাদের ক্ষুদ্র সংসার। ছেলেটার বায়না, তাকে একটি খেলনা গাড়ি কিনে দিতে হবে। অনেক দিনের বায়না। কিন্তু — আজ নয় কাল, এমন করতে করতে অনেকদিন ছেলেকে ভুলিয়ে ভালিয়ে রেখেছে চয়েন মিয়া। আজ আর নিস্তার নেই। ছেলে সকাল থেকে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। তাকে বুঝাবে কে — গরীবদের অত শখ থাকতে নেই।

চয়েন মিয়া ‘বেলুন পাম্প ’ দিয়ে বেলুনগুলো‌ ফোলাচ্ছেন। মাথায় তাঁর নানান চিন্তা। বেলুনগুলো বিক্রি হলেই তবে ছেলের শখের গাড়িটা কিনে আনতে পারবে সে। এ- যেন এক চ্যালেঞ্জ।সময় গড়িয়ে এলো বিকেল। চয়েন মিয়া বেলুনগুলো মাথার ওপর উড়িয়ে নিয়ে তা ফেরী করতে লাগলেন। কখনো ঘুরে ঘুরে। কখনো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে। বেচাকেনা ভালোই হচ্ছে। আনন্দের অশ্রু টলমল করছে তার আঁখিযুগলে। ক্রমশ একজন যুবক এসে বেলুন চাইলো চয়েন মিয়ার কাছে।

— কয়টা দেব ভাই?

— দে পাঁচ-সাতটা দে! ভালো দেখে দিস!

যুবকটির এমন অসভ্যতামি দেখে খুব বিব্রত হন চয়েন মিয়া। নিজেকে সংযত করে সুন্দর দেখে সাতটা বেলুন দেয় যুবককে। যুবক মূল্য শোধ না করেই ফিরতি পথে অগ্রসর হয়।

— আরে এই ভাই! বেলুনের দাম দিলেন না! টেহা দিবেন না! টেহা দিয়া যান মিয়া!

যুবকটি ঘুরে এসে আচমকা কষে একটা থাপ্পড় দেয় চয়েন মিয়ার গালে। চয়েন মিয়া ব্যথায় ককিয়ে ওঠে। যুবক এবার চয়েন মিয়াকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। অগত্যা চয়েন মিয়ার হাত থেকে বেলুনের সুতাগুলো ফসকে যায়। সেগুলো উড়ে যায় আকাশে। চয়েন মিয়া পড়ে থেকে দেখতে থাকে সেগুলো।আজকের বিকেলটা খুব সুন্দর। বেশ রঙিন। মেঘমুক্ত নীল আকাশ। সে আকাশে স্বপ্ন বুনছে প্রণয়ীযুগলরা। অপরদিকে পুকুরের পাড়ে দাঁড়িয়ে আছে এক লোক। তাকিয়ে আছে ঊর্ধ্ব গগনে। সেখানে তাঁর স্বপ্নগুলো উড়ছে। তার নয়; বরং তার ছেলের। লোকটা সুখ বিক্রেতা। ভালোবাসার উপকরণ জোগায় — তার আজ বড় অসুখ। লোকটার নাম চয়েন — লোকে চয়েন মিয়া বলে ডাকে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ইত্তেহাদুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন-এর একটি প্রতিষ্ঠান copyright 2020: ittehadtimes24.com  
Theme Customized BY MD Maruf Zakir